বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন যেমন সংগ্রামে ভরা, তেমনি ছিল সৃজনশীলতায় সমৃদ্ধ। তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে আছে ত্রিশালের একটি নিরিবিলি জনপদের সঙ্গে। আজ থেকে প্রায় ১১২ বছর আগে ময়মনসিংহের ত্রিশালে আসেন কিশোর নজরুল। তার প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে দারোগা রফিজউল্লাহ তাকে দরিরামপুর ইংরেজি হাইস্কুলে (বর্তমান নজরুল একাডেমি) ভর্তি করান।
প্রথমে তিনি কাজীর শিমলা দারোগা বাড়িতে থাকতেন। পরে যাতায়াতের সুবিধার জন্য দারোগা রফিজউল্লাহ তাকে ত্রিশালের নামাপাড়ায় জায়গির হিসেবে রাখেন।
স্বাধীনচেতা স্বভাবের নজরুল মাঝে মাঝে স্কুল ফাঁকি দিয়ে একটি বটগাছে উঠে বসে বাঁশি বাজাতেন। যে বটগাছে বসে তিনি বাঁশি বাজাতেন, সেই গাছটিই এখন ‘নজরুল বটবৃক্ষ’ নামে পরিচিত। কবি আজ আর নেই, কিন্তু সেই বটগাছ এখনো তার স্মৃতি বহন করে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
সেই বটগাছের পাশেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কবির নামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। ৬ অনুষদভুক্ত ২৫ বিভাগ রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণপুরুষ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ২০০৫ সালের ১ মার্চ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বেগম জিয়া ২০০৬ সালের ২৫ মে সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্রই নজরুলময়
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রান্তজুড়েই ছড়িয়ে আছে জাতীয় কবির সাহিত্য, জীবন ও দর্শনের ছাপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস, হল, ভবন, ডরমিটরি, হাসপাতাল, গেস্ট হাউস থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থাপনা ও ভাস্কর্যের নামকরণ করা হয়েছে নজরুলের সাহিত্যকর্ম, রচনা ও জীবনঘনিষ্ঠ পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি আবাসিক হলের নাম রাখা হয়েছে নজরুলের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের নামে। এগুলো হলো- অগ্নিবীণা, দোলনচাঁপা, বিদ্রোহী এবং শিউলিমালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোর নামও নজরুলের সাহিত্যকর্ম থেকে নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো বাঁধনহারা, ঝিলিমিলি, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা, দূরের বন্ধু এবং প্রলয়শিখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র হাসপাতালের নাম ব্যথার দান। উপাচার্যের সরকারি বাসভবনের নাম দুখু মিয়া বাংলো, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র গেস্ট হাউসের নাম সেতুবন্ধন।
ডরমিটরিগুলোর নামও রাখা হয়েছে নজরুলের সাহিত্যকর্মের নামে। এগুলো হলো সন্ধ্যা তারা, বন্ধন, পূবের হাওয়া এবং ব্রহ্মপুত্র। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে কবি নজরুলের প্রতিকৃতি নজরুল ভাস্কর্য, অঞ্জলি লোহ মোর ভাস্কর্য, চির উন্নত মম শির স্মৃতিস্তম্ভ এবং গাহি সাম্যের গান মঞ্চ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্র নজরুলচর্চা ও তাঁর আদর্শ ধারণের এক অনন্য প্রতীক।
গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ নির্ভর করে গবেষণার মান, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির ধারাবাহিকতার ওপর। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও উদ্ভাবনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে। গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯৫০টি গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়। এসব গবেষণার ফলাফল দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ নির্ধারিত হয় তার গবেষণার মান, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং জ্ঞান সৃষ্টির ধারাবাহিকতার মাধ্যমে। সেই লক্ষ্যেই শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে একটি আধুনিক ও গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে কাজ করছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক গবেষণা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সূচকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি
আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংস্থা স্প্রিঞ্জার নেচার পরিচালিত বিশ্বখ্যাত গবেষণা সূচক 'নেচার ইনডেক্স-২০২৬' এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই সূচকে বাংলাদেশের ৬৮টি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়টির সামগ্রিক অবস্থান ২২তম। এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্র কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখানে অ্যাকাডেমিক ও নন-অ্যাকাডেমিক মিলিয়ে ৪০ হাজারের বেশি বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে। প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা এককভাবে কিংবা দলগতভাবে এখানে পাঠ চর্চা, গবেষণা এবং চাকরির প্রস্তুতিতে সময় কাটান। তবে লাইব্রেরির সেবা আরও উন্নত করতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা, লাইব্রেরি ব্যবহারের সময় বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
নজরুলচর্চার অন্যতম কেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, দর্শন ও জীবনাদর্শের গবেষণা, সংরক্ষণ এবং প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ। কবির মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর তার নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউটটি বর্তমানে নজরুলচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর জন্য 'নজরুল স্টাডিজ' নামে ১০০ নম্বরের একটি কোর্স বাধ্যতামূলক। এ কোর্সের সিলেবাস ও পাঠ্যবই প্রণয়ন করেছে ইনস্টিটিউটটি। এছাড়া 'নজরুলের ত্রিশাল আগমনের একশ বছর (২০১৫), নজরুল-বীক্ষা (২০১৭), নজরুল-মানসলোক (২০১৮) সহ নজরুলবিষয়ক বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইনস্টিটিউটটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এখানে নজরুল বিষয়ক গবেষণায় অংশ নিতে পারেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও Ferdowsi University of Mashhad, Iran এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে নজরুল জীবন ও কর্ম বিষয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে।
সাড়ে ৪ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় চার বছরে সাড়ে ৪ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর এক হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের কলা ভবন সংলগ্ন এলাকায় সোনালু, কৃষ্ণচূড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সবুজায়ন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়।
দক্ষতা উন্নয়নে সক্রিয় শিক্ষার্থী সংগঠন
শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও সৃজনশীলতা বিকাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠন ও ক্লাব। রোটারেক্ট ক্লাব, ক্যারিয়ার ক্লাব এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (এসডিসি) শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ, দলগত কাজ, যোগাযোগ দক্ষতা ও পাবলিক স্পিকিংয়ে সহায়তা করছে। সাহিত্যচর্চার জন্য রয়েছে শব্দকুঞ্জ, পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করছে আর্থ ক্লাব ও গ্রিন ক্যাম্পাস, আর সংগীত ও নৃত্যচর্চার জন্য রয়েছে ব্যান্ড মিউজিক সোসাইটি ও ডান্স ক্লাব। এছাড়া বাস্তবমুখী সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসক্লাব। এসব সংগঠন ও ক্লাবের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে ভবিষ্যতের জন্য আরও দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে।
অবকাঠামো উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, আবাসন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অ্যাকাডেমিক ভবন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে ছেলেদের জন্য একটি ৫ তলা, একটি ১০ তলা হল এবং আরেকটি ১০ তলা হল নির্মাণাধীন রয়েছে। একইভাবে মেয়েদের জন্য একটি ৫ তলা, একটি ১০ তলা হল এবং আরেকটি ১০ তলা হল নির্মাণাধীন রয়েছে। এছাড়া একটি গেস্ট হাউস, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ৫টি ডরমিটরি রয়েছে এবং আরও ৪টি ডরমিটরি নির্মাণাধীন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ ও গবেষণার জন্য একটি ৫ তলা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি রয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুটি ৫ তলা প্রশাসনিক ভবন এবং উপাচার্য ও ট্রেজারারের জন্য আলাদা বাসভবন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বর্তমানে ইন্সটিটিউট ভবন, টিএসসি (টিচার্স-স্টুডেন্টস সেন্টার) ভবন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি প্রধান প্রবেশদ্বার (গেট), শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল এবং ডরমিটরির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা, আবাসন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।
ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার
শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। ৫৭ একরের ক্যাম্পাসজুড়ে ৪২৫টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং ক্যামেরাগুলোর কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উভয় প্রান্তে নির্মাণাধীন দুটি প্রধান ফটকের কাজ শেষ হলে বহিরাগতদের প্রবেশ আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তখন পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশের ব্যবস্থা চালু হবে। এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে আলোর ব্যবস্থা বাড়ানো, ইভটিজিং ও অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মানসম্মত, উন্নত এবং শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলাই বর্তমান প্রশাসনের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, গবেষণা, সুশাসন ও অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, আমি শূন্য থেকে শুরু করতে চাই, কিন্তু পরিপূর্ণ হয়ে ফিরে যেতে চাই। ব্যক্তি হিসেবে আমি কেবল একটা মাধ্যম, বাস্তবায়নের দায়িত্ব সবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে মানসম্মত, উন্নত এবং শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
আরটিভি/এসএস



